এই সংখ্যায় 'প্রণতি পিট সীগার', এবং একগুচ্ছ কবিতা ও কাব্যগ্রন্থ পর্যালোচনা । লেখক সূচি রহমান হেনরী, শর্মিষ্ঠা ঘোষ, ব্রতী মুখোপাধ্যায়, সাঈদা মিমি, অনির্বান মাইতি, কাজরী তিথি জামান,শ্রী শুভ্র, এনাক্ষী রায়, শৌনক দত্ত, ঝর্ণা চট্টোপাধ্যায়,দেবাশিস লাহা, জেনিস আক্তার, জয় চক্রবর্তী, অনুপ দত্ত, বিলকিস আরা ক্ষমা, মোহম্মদ আনওয়ারুল কবীর, গৌতম সেন, রেবা সরকার, শামিম পারভেজ, ও সুবীর সরকার ।
                           সূচিপত্রে ক্লিক করুন

চলে গেলেন লোক সঙ্গীতের প্রবাদপ্রতীম শিল্পী, পীড়িত মানুষের সঙ্গীত স্রষ্টা পিট সিগার ৯৪ বছর বয়সে । ষাটের দশকে কম্যুনিষ্ট পার্টির সদস্য হওয়ার কারণে একবছর কারান্তরালে ছিলেন । এমনকি মুক্তির পরেও অনেকদিন তাকে গান গাইতে দেয়নি সেই সময়কার মার্কিন প্রশাসন । আবার বারাক ওবামার অভিষেক অনুষ্ঠানে সঙ্গীতের ঝড় তোলার জন্য ডাক পড়ে বিশ্ববরেন্য এই শিল্পীর । ভিয়েতনাম থেকে ইরাকে আমেরিকার যুদ্ধের প্রবল বিরোধীতা তাঁর গানে । ওয়ালস্ট্রীট দখল অভিযান থেকে হাডসন নদী বাঁচাও আন্দোলন সবকিছুই ফিরে এসেছে তাঁর গানে । সীগার বলেছিলেন “এই দুনিয়া যে উৎকৃষ্ট সঙ্গীতের খনি সেটা বোঝানোই আমার কাজ” । পীট সীগার বেঁচে থাকবেন তাঁর সঙ্গীতের মধ্যে । ‘অন্যনিষাদ’ প্রয়াত শিল্পীর প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধায় মাথা নত করছে তাঁরই একটি সঙ্গীতের অনুবাদ নিবেদন করে । সীগারের ‘টার্ণ , টার্ন, টার্ন’ সঙ্গীতটির কথা ‘অন্যনিষাদ’এর জন্য ভাষান্তর করে দিয়েছেন রহমান হেনরী ।


এই ‘অন্যনিষাদ সপ্তাহে’ই শুরু হ’ল ৩১তম ‘কলকাতা বইমেলা’ ।বাঙ্গালির এখন বারোমাসে তেরো পার্বন নয়, তার চতুর্দশ পার্বন নিশ্চিত ভাবেই কলকাতা বইমেলা । সারা বিশ্বের বইমেলাগুলির মধ্যে ‘কলকাতা বইমেলার’ এক ভিন্ন পরিচিতি, যা অর্জিত হয়েছে বইপ্রেমি যৌবনের স্বতঃফূর্ততায়, অগণন অখ্যাত, প্রচারের আলো বর্জিত লেখক, ছোট পত্রিকা সংগঠক ও সংস্কৃতি কর্মীর ভালোবাসায় । ‘অন্যনিষাদ’এর লেখক ও শুভানুধ্যায়ী বন্ধুদের বেশ কয়েকটি নতুন বই’এর প্রকাশ হচ্ছে কলকাতা বইমেলায় । অনেক বন্ধু্র ইতিমধ্যে প্রকাশিত গ্রন্থ নানান পুস্তক বিপনীতে স্থান করে নিয়েছে । ‘অন্যনিষাদ’ আশা করে তাঁদের বইগুলি নিশ্চিত ভাবেই পাঠক সমাদর লাভ করবে, আর সেইসব বন্ধুরা পেয়ে যাবেন তাঁদের আগামী প্রকাশের রসদ । তাঁদের অভিনন্দন জানায় ‘অন্যনিষাদ’ ।


পিট সীগার এর গান
ভাষান্তর – রহমান হেনরী

ঘোরো, আবর্তিত হও, চক্রাবর্তে

সব কিছুর, সব্বার কাছে (ঘোরো, আবর্তিত হও, চক্রাবর্তে)

এক একটা মৌসুম আছে (ঘোরো, আবর্তিত হও, চক্রাবর্তে)

অবারিত আকাশের নিচে, সকল কাজের, ঠিকঠাক সময়তো আছে।।

গড়ার সময় আছে, আছে বিনাশের

নাচার সময় আছে, আছে বিলাপের

একটা সময় আছে ছুঁড়ে ফ্যালো সকল পাথর, সময়ে কুড়িয়ে নাও আপনার কাছে।।

সব কিছুর, সব্বার কাছে (ঘোরো, আবর্তিত হও, চক্রাবর্তে)

এক একটা মৌসুম আছে (ঘোরো, আবর্তিত হও, চক্রাবর্তে)

অবারিত আকাশের নিচে, সকল কাজের, ঠিকঠাক সময়তো আছে।।

আছে দিন ভালোবাসবার, ঘৃণারও সময়

কখনও শান্তি শান্তি, যুদ্ধেও কভু যেতে হয়

আলিঙ্গনে সমর্পিত হতেই তো পারো, আঙ্গিন-মুক্তিরও প্রয়োজন আছে।

সব কিছুর, সব্বার কাছে (ঘোরো, আবর্তিত হও, চক্রাবর্তে)

এক একটা মৌসুম আছে (ঘোরো, আবর্তিত হও, চক্রাবর্তে)

অবারিত আকাশের নিচে, সকল কাজের, ঠিকঠাক সময়তো আছে।।

পাবার সময় আছে, আছে হারাবার

ছিঁড়ে ফ্যালো, করে দাও সেলাই আবার

ভালোবাসবার কাল, ঘৃণা করবারও ঠিক সময় তো আছে

শান্তির মৌসুম, কসম বলছি সব শেষ নয়, এখনও সময় কিন্তু আছে।।



স্বপ্নে ...

খুঁজে পেলাম হারিয়ে যাওয়া পুতুল , খেলনা গাড়ি
হাত ধরলো গঙ্গাজলের সই
মা ডেকেছে সপ্ত ভুবন জুড়ে
সেই প্রান্তর ছুঁতে পারছি কই ?

পিছু ডাকছে বালিতে বাঁধা ঘর , প্রিয় মুখ
দু এক কুচি প্রিজম রঙা সুখ
পোষা ময়নার সোনার খাঁচা খালি
ধরা দিয়েও পালাতে উন্মুখ

কুয়াশা মাখা ইস্কুল বাড়ি মাঠ , সেই দিন
কথায় কথায় লাব ডাব ভাব আড়ি
বয়স থমকে বিপজ্জনক সীমায়
এখন কেবল স্বপ্ন দেখতে পারি

স্বপ্নে কোন ঘৃণার ভস্ম নেই , কষ্ট আছে
হারাকিরি করে স্বাভিমান স্মৃতি মায়া
তোমার দরজা হাট করে খোলা স্বপ্নে
নিষিদ্ধ নয় একলব্যের যাওয়া

স্বপ্ন নেহাতই আবছা অধরা ছায়া , কুহক ডাক
স্বপ্ন জানে ইচ্ছে সুখের চাল
কয়েক নিমেষ ফুলঝুরি এই ঘুমে
বিষরক্তে অসহ্য দিনকাল 



নিপাত যাও

কথা বলার ইচ্ছেও ছিল না
বলিও নি
বাতাসে বিয়োগ গীতির শুকনো শুকনো ঢেউ
প্রত্যেকটি দিন
অশৌচ পালনের

যে প্রান্তরে ভয় এবং ভরসাকে ভিন্ন করা যায় না
সেইখানে
মাথার ওপর তিন রঙের শামিয়ানা
মোচ্ছব
জয়ধ্বনি দিচ্ছিল যারা
কারো হাতে তেরঙ্গা কারো হাতে লাল নিশান
আলাদা আলাদা পোশাক
সবাইকে দেখতে কিন্তু একরকম

হাড়িকাঠের সামনে আমি
আমার মতো কয়েকজন
কথা বলার ইচ্ছেও ছিল না
বলিও নি
মুহূর্তে দেখতে পেলাম হাতে হাতে অগ্নিঅস্ত্র

কাতর সত্যি আর অকাতর মিথ্যের মাঝখানে
একটুকরো তিন পদের জমি
সেইখানে অনেকক্ষণ

অবাক মানি
সত্যিই
কিভাবে ঠিক শুনতে পেল
যা মুখে বলিও নি
যা আসলে আমি কিন্তু বলতেই চাই

বাবার জন্য

অনেকদিন শান্তিতে ঘুমাইনি, বাবার
কফিনের পাশে বসে প্রথমেই
এই কথাটা মনে হয়েছিলো... আমার
বৃদ্ধ বাবা ঘুমাতে পারতেন না বলে
তাকে কড়া সিডেটিভ দেয়া হতো, অনেক
পুরোনো দিনের ছবিগুলি মনে পড়ে যাচ্ছে
যখন বাবা মায়ের মাঝখানে শুয়ে
মাঝে মাঝেই বাবার বুকে হাত দিয়ে
দেখতাম হৃদযন্ত্র চলছে তো? আমাদের
চৌ চালা টিনের ঘরটায় রাজ্যের
ফাঁকফোকর ছিলো, একবার মাঘি পূর্ণিমায়
জ্যোসনার বিচিত্র সব প্রতিফলন দেখে
ভয়ে কেঁদে উঠেছিলাম, বাবা জড়িয়ে
রেখেছিলেন আমাকে, " শীতভূত বাবা,
আমাকে খাবে !" সবই দুরের
ছবি কুয়াশায় যা ঢেকে যায়...
বাবা! বাবা জেগে, ঘুমের অষুধে কাজ
হতো না, মশারি সরিয়ে বসে থাকি
বাবার কাছে, বাবা তার আশ্চর্য ফর্সা
কুঞ্চিত হাত দিয়ে আমার হাত
আঁকড়ে আস্তে আস্তে ঘুমিয়ে পড়েন, বসে
থাকি, হাতটা ছেড়ে দিলেই ভয় এসে
বাবাকে জাগিয়ে দেবে! কফিনের সামনে
বসে বাবার মুখটা ছুঁয়ে দেখি, বাবা....
বাবা ...আমি কাঁদছিনা দ্যাখো কিন্তু
আমার খুব ভয় লাগছে, বাবা চোখ
মেলেন না, অনেকদিন পর তিনি একটু
শান্তিতে ঘুমিয়েছেন, প্রায় রাতেই
আমার ঘুম হয় না, আমি
রাতজ্যোসনার দিকে
তাকিয়ে অপেক্ষায় বসে থাকি



একটা শীতের রাত

একটা শীতের রাত
উতরেছি কোনমতে
জোছনার উষ্ণতা পেয়ে

কখনো মিছিল শেষে
দেখা হলে দুজনাতে
মনেতে লাগাম দিস মেয়ে

এতটা বছর পরে
সময়ের অগোচরে
প্রাণপণে টিকে যাওয়া আমি

এখনো তো বেঁচে আছি
স্বপ্নেই মরি বাঁচি
স্বপ্নেরা আজও বাদামি

তবু তুই কেন এলি ?
মনের এই এঁদো গলি
এপথ সেপথ হয়ে ঘুরে

ফের যদি জেগে উঠি
আকাশে চাগিয়ে মুঠি
সূর্যটা ঠিক যাবে পুড়ে


জুঁই দি ও মাতাল প্রেমিক - রাহেল রাজিব

প্রকাশক - শুদ্ধস্বর,কাঁটাবন, ঢাকা । মূল্য - ১২০ টাকা

আলোচক - সুবীর সরকার


১। আমাকে ভাসিয়ে তুমি বেহুলা
                  আমি লখিন্দর
২। প্রসন্ন বিকেল,বিভ্রান্ত তুমি
  মালা দিও না পাশে বসে থাকা গাধাকে।
৩। শিকার ও শিকারীর চোখ ভোরের বালিশে!
৪। মিলন চাইলে ছলনা বাড়ে
          নৌকা বর্ষাজলে
৫। আমাকে খুঁজছো মেলার ভিড়ে
                নেই দূরে

উপরের কবিতার অংশগুলি উড়ে এল অসম্ভব স্মার্ট ও শক্তিশালী এক তরুন কবি রাহেল রাজিব-এর কাব্যগ্রন্থ জুঁইদি ও মাতাল প্রেমিকথেকে ৬৪ পাতার এই বইএর অনবদ্য প্রচ্ছদ করেছেন তৌহিন হাসান বইটি ২০১৪-র ফেব্রুয়ারীতে প্রকাশ পেয়েছে। কবি বইটি উৎসর্গ করেছেন ৩ জন অগ্রজ কবি সাজ্জাদ শরিফ,টোকন ঠাকুর ও জাফর আহমদ রাশেদ-কে।বইএর শেষ চার পাতায় বইটির ইতিবৃত্ত বলেন তিনি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিকশিরোনামে

রাহেল রাজিবের জন্ম ১৯৮৪।দিনাজপুরের ফুলবাড়ির এই কবি বর্তমানে অধ্যাপনাসূত্রে ঢাকার বাসিন্দা শুণ্য দশকের রাহেল কেবল শক্তিমান কবি নন,গদ্য গল্প প্রবন্ধ সাক্ষাৎকার গ্রহণ ইত্যাদি বহুমুখিনতার ভিতর তার সৃষ্টিময় যাপন

জুঁইদি ও মাতাল প্রেমিকএক অদ্ভুত মাদকতায় ভরা বই জুঁইদি একজন আবহমানের নারী প্রেমিকা আশ্রয় জুঁইদি মানেই আকাশভরা মেঘ ও রোদ জুঁইদি সবার জীবনেই থাকেন,কিন্তু জুঁইদিরা তা টের পান না!বাল্য পেরোন দিনকালগুলিতে জুঁইদির জন্য কবির যে মুগ্ধতা,আবেগ,আশরীর তুমুল ভালোবাসা

আর সর্বোপরি বুকের খুব নিজস্ব এক উঠোনে জুঁইদিকেই বহন করে চলা ; নিঃসন্দেহে পুরোটা বই জুড়ে কি তীব্রভাবে তীরের ফলার মতন তা আমাদের বিদ্ধ করে চলে জুঁইদি ও মাতাল প্রেমিক’_এই বইটিতে রাহেল রাজিব এক নুতন জার্নির সূচনা করেছেন

হালকা একটা মেঘের ভিতর ডুবে থাকেন কবি ভাষার সহজতায়, প্রতীক ও ইশারায় ; আদিঅন্তহীন জীবনযাপনের জায়মানতাকে রাহেল নিখুঁত তুলে আনেন আর মজা ও ম্যাজিকের মতো দোলাতে থাকেন কবি।আর বলেন_’বৃত্তভয়ে ডেকে নাও তপ্তদুপুরে,একা।এক চোরাটানের কুহক  জুঁইদির দিকে কেবলই ধাবিত করে কবিকে,তার পৃথিবীময় কেবলই জুঁইদি আর জুঁই দি জীবনের প্রতি বাঁকেই পল অনুপল পরিক্রমণ করতে করতে কবি নিরাপত্তা খোঁজেন আশ্রয় ও উষ্ণতা খোঁজেন জুইঁদির কাছেই এক তীব্র আর্তিতে তিনি বলে ওঠেন,

      ‘জুঁই,ভাঙন এখন চারিদিকে
অসহায় কবি দেখেন,
      ‘নোংরা মানুষের ভিড়ে কাকপক্ষী চেনা দায়’!

রাহেল স্বপ্নময় এক কবি সারাক্ষণ কি এক খোঁজ তাকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায় ! বিকেলের রাজহাঁস,হেমন্তের খড়স্তূপ,কাঁটাতার, তিস্তাপাড় তাকে সুদূরতাময় এক ঔদাসীন্যের কাছে নিয়ে যেতে থাকে আর জুঁইদির জন্য,জুঁইদিকে নিয়েই যে তার ছায়াবৃত্ত আঙিনা।ঘুমিয়ে থাকা চিঠির বান্ডেল খুলে রাহেল দেখেন অপরূপ বৃষ্টির পৃথিবী।তার মনে হয়,

     ‘জুঁইদি যেন বৃষ্টির প্রতিশব্দ
জীবনের গহীনে ডুবে এক বুক ভালোবাসা নিয়ে জুঁইদির কাছেই কবির সমর্পণ ! জুঁই দি অন্য এক জীবনের সাবলীলতায় হয়তো সাবলীল, কিন্তু তবুও কবির অকপট উচ্চারণ,
   ‘তোমার ভ্যানিটি ব্যগে আমার ঘরের চাবি

কবি দেশকালসমাজসচেতন মানুষ।তার দেখা আন্তরিক।তিনি লেখেন,
     ‘জুঁই,এই বর্ষায়
     জামাত-শিবির নিপাত যাক

তিনি ছলাকলা নিয়ে বুঁনে যান সম্পর্কের ভিত তার চেতনায় গেঁথে থাকে টিপাই মুখ বাঁধ, চে গেভারা, দেশের জনমানুষ ও প্রকৃতির মায়াকাজল
কবি বিস্বাস করেন সম্পর্কের সারল্যে আবহমানের মানুষজন, প্রেমভালোবাসায় ভরা এক পৃথিবীর স্বপ্নই দেখেন, দেখে যেতে থাকেন অন্তহীন । নৈঃশব্দের ভিতরে খুঁজতে থাকেন বিষাদ । তুমুল আকড়ে ধরেন জুঁইদিকেই,

      ‘তোমার মোহে স্বপ্নচূড়
            মাতাল আমি!
আর হাহাকার গড়িয়ে নামে গোপন গানের মতোন । মেঘনদীবাজনার কোরাসে নির্মিত হতে থাকে জুঁইদিকুহক । জুঁইপুরাণ ।

রাহেল রাজিব তার এই বইটি জুড়ে দীর্ঘ এক আত্মজীবনী লিখে গেছেন । একটানা বলে গেছেন তুমুল ও তীব্র সব অফুরন্ত গল্পগাছা।আলোকিত শব্দভাষার উঠোন পেরোছেন রাহেল । কি গতিময় তার ভঙ্গী,শব্দব্যবহার!সাধারন দৃশ্যগুলি অসাধারন হয়ে ওঠে,পুকুরের হাঁস যেমন।ইটপাথরের ঘরবাড়ি,ঢেকিকচুবন আর জুঁইদি সব কেমন চিরকালীনতায় গিয়ে মেশে, মিশে যায় ।
মুগ্ধতা ও অভিবাদন রাহেল,আপনাকে ।


About