গল্প বলার সময়
 

চাইছি গল্পটা
 না ফুরাক
পড়তে থাকো মৃদুমন্দ্র উচ্চারণে ,
দর্শকসারি নড়েচড়ে বসেছে
 
কেউ আর কথা বলছেন না শীত শীত সন্ধ্যায় ।

সময় মতো থেমে থেমে নিঃশ্বাস গাঢ করো
 , 
 তৈরী করো পাঠকের মায়া, তাদের চোখে ভীড় করুক জল
তারা মনে মনে এঁকে ফেলুক যা কিছু কাল
 ছবিঘরে টাঙ্গাবে 

মাইক্রোফোন ঠিক করে নাও এঙ্গেলে
 
ডানপাশ থেকে
 তোমাকে বেশী নির্জন আসে
কথারা শ্বাস নিক, চোখে ধাঁধা লাগুক তোমার আলোমুখ দেখে
মফস্বলের খসখস শব্দ বেধড়ক ডুবে যাক মধ্যবর্তী বিরতিতে।
 

তোমার আধা খোলা গল্প এখন ঘনমেঘে ভারী
 
সবাই উৎকন্ঠায় নিঃশ্বাস নিতে ভুলে গেছে
 এ পর্যায়ে হুমড়ি খেয়ে বুকে উঠে আসে ঢেউরা 
 আঁকা হয়ে গেলো ছেঁড়া ছেঁড়া দমকা হাওয়া ,ছেঁড়া কমলা তাগা।

সবটা বলে ফেলোনা সঞ্চালক ,কিছু রাখো হতচকিত প্রচ্ছদে
 
গলির ভেতর থেকে ভেসে আসা গুনগুনটা আমারই ছিলো
 
 চাদরটানা তীক্ষ্ম ষোড়শী শরীর থেকে ছিটকে পরতো স্কেচবুক 
তাতে তুমি আঁকতে বুঁদ হয়ে । মুখে নিতে
 মোহমহুয়া 
এ সমস্ত টুকরো ভাঙ্গা বাদ পড়ুক গল্পবলার সময়।

নেশারা নেশাই । নেশা কখনও সত্য হয় না কখনও মিথ্যা হয়না
সমস্ত সত্য নেশাগুলো নিয়ে
 গল্প গ্রন্থ হয়না আসলে।



0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About