গানরিকশায় খোয়াই

শুন্যতাই শেষ অভিজ্ঞতা...পরম অভিজ্ঞতা ভরতে
পারে একমাত্র আনন্দময় অপূর্ব এক শুন্যতা,
এই ভিত্তিবিধান
গানে গানে ভরে দিলেন কেমন উনি...

আমরা শুধু দাড়ির নাড়া দেখি...দ্বারে কে দিল নাড়া?
বা এমনকি দরজাগুলো ভাঙলো যে রাতে কে?
বা ভাঙছে কে একের পর এক ?  --  খেয়াল করিনা !
খেয়াল করিনা  -- সেই বিচ্ছুরিত বীজমন্ত্র...

কেমন সহাস্যে উনি কুয়ো থেকে জল তোলেন
আমি বিজ্ঞভাবে মাথা দোলাই..'ধূতে হবে? মুছতে হবে?
গভীর যতন করে সেই
ঘর পুনরুদ্ধারের দিন আজ --  তাই না?' 

উনি বলেন 'ফুল এনে রেখেছিস মৃৎপাত্রে?
একটু বেলায়-ঝরা বকুল?' 

আমি পারিপার্শের নৈরাজ্য
প্রাণপণে লুকাতে লুকাতে বলি "হুঁ এনেছি"...

উনি জল তুলে দেন কুয়ো থেকে
আমি স্নান করি সেই জলে --  এইরকম ঠান্ডা জলে
বাসনা ও চৈতন্য একধরনের
ম্যাজিকাল মেরুমৈত্রী গড়ে নেয়
একধরনের স্বকীয় শৃঙ্খলা... অটোক্রিস্টালাইজেশন!

আর 
যাবতীয় জাগতিক উপাদান ও অস্তিত্বময় বাঁচাকে
তাকে তাকে গুছিয়ে রেখে...
পরিস্কার ও মোছা ঘর
বকুলগন্ধের ভরন্ত তত্তাবধানে রেখে
গানরিকশায় আমরা যাই খোয়াই,
জ্যোৎস্নারাতে সবাই গেছে যেখানে? যাই আমরাও

পাশাপাশি গানরিকশায় বসে

আমি ও রবীন্দ্রনাথ!

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About