বাইশে শ্রাবণ ও সেই পাখিটা

রাখালের বাঁশি শরীরে বিষাদের সুর
ওদিকে দশদিক উল্লাসে মাতাল
চাঁদের হাসির বাঁধ ভাঙলো , উছলে পড়ে আলো
শোকের মাথা গোঁজার তবে ঠাঁই নেই ?
মহাবিশ্বের উদাসীনতায়  অন্ধকারে জ্বলজ্বল করে উঠলো আলো
বিষাদকে ডেকে বললাম , ‘ যদি আজ লিখেই ফেলি আনন্দদুঃখ পেও না যেন !
যতবার মৃত্যুর দূরবীনে চোখ রেখেছি জীবন গায়ে পড়েছে বড্ড
প্রতিটি ভোরের দিকে , হেলাফেলার দিনে রাতে,
মুহূর্তের কোথাও চোখের ফাঁকি মনের ফাঁক রাখতে পারিনি
ঘুমের মধ্যে হেঁটে চলা জীবনটায় সেই পাখিটা গভীর জাগরণের মধ্যে
আমাকে বসিয়ে দিয়ে সাত সকালে
ডান দিকের কাঁধে বসে নিয়ত ভয় দেখিয়ে গেছে ,’ আজ কী তবে আমার দিন ?’অমনি
আমি উথাল পাথাল মুদ্রায় মন পেতেছি আকাশে , ছড়িয়ে দিয়েছি চোখ জানলার বাইরে
নিত্য দেখা পালংপাতা রঙ নাম না জানা ঝোপের  ডাক নাম দিতে ছুটে গেছি
যতবার সে ভয় দেখিয়েছে জীবন কীভাবে লুটিয়েছে পায়ে !
বুকে না টেনে পারিনি
আজ শ্রাবণের বুকের ভেতর শুনতে পাচ্ছো  ?
আজ কী তবে আমার দিন ?’---পাখিটা বলছে তো আজও ?

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About