হেমন্ত কিংবা হেমলক

সার্কাস শেষ। এবার তুমিও যেতে পারো।
এখনি অন্ধকার হবে। পরিধেয় বদলাবে জোকার, ষোড়শী 
আর ঝুলন্ত ট্রাপিজের দল।
অন্ধকারে মিশে যাবে নরক, নারী নীরা। নিশ্চিন্তে মুছে
নেবে অসমর্থিত যত রঙ...
তারপর নিষিদ্ধ যন্ত্রণা নেবে একা একা,
কিংবা এক পেয়ালা হেমলক।

শোনো, তোমার বহিরাঙ্গে ঘুন ধরে গেছে।
অন্তরাঙ্গে লেগে আছে শতাব্দীর বুনিয়াদি উঁই। গোপন অঙ্গ
গুলি ঢেকে রাখে শিউলি জুঁই।
তোমার কন্ঠ থেকে রে পড়ে বিষময় শ্বাস। ভোরের কাকলি
 দিয়ে ঘিরে রাখো গোপন আকাশ।
তারপর দিন শেষ হলে, শুরু হয় নৃশংস ভোজ।
রাতের অন্ধকারে রোজ।

দেখো,
হেমন্ত এসে গেছে, গাছে গাছে ফুটে আছে ফুল।
অপেরা উঠেছে সেজে, সার্কাসে নবীন বুলবুল...
চুল বাঁধে, রঙ মাখে, যৌবন উথলিয়ে ওঠে
কেউ ঢোকে মৃত্যুকূপে, বিষাদের হাসি লেগে ঠোঁটে!
আগুন বলয়ে কেউ ছুড়ে দেয় সাধের শরীর,
কপালে আপেল রেখে কেউ চোখ বুজে ছোড়ে তীর।
ট্র্যাপিজেরা দোল খায়, মৃত্যুও রোমসর্ষক...
ওদের চোখেতে লেগেহেমন্ত, কিংবা হেমলক
তোমারও মৃত্যু লিখে যাবে একবিংশ শতক,
আপাতত বেছে নাওহেমন্ত কিংবা হেমলক”!

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About